আমার সংগ্রামী জীবন: বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রুহুল আমিন
বংশ পরিচিতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুহুল আমিন
পিতা: হাজী সাখাওয়াত উল্যা
পিতামহ: রুস্তম মিয়া
তার পিতা আরশাদ মিয়া (উলাল মিয়ার ভাই)
আর এক ভাই : হানিফ মিয়া
তাদের পিতা নুনু পাটওয়ারী (তার দুই ভাই ১। ফয়েজ পাটওয়ারী ও পোজন পাটওয়ারী।
তার পিতা: ওয়াসেক মুন্সি
এই ওয়াসেক মুন্সি ছিলেন আরব দেশের বংশোদ্ভত ভারত বর্ষের অবিভক্ত বাংলায় যে ৩৬০ জন অলি। ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন তাঁদেরই পথের অনুসারি হয়ে ওয়াসেক মুন্সি এই দেশে আসেন। তিনি ও ধর্ম প্রচার করেছিলেন। ওয়াসেক মুন্সি ইংরেজদের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছিলেন। এই ওয়াসেক মুন্সির বংশধর হচ্ছেন উলাল মিয়া যার নাম অণুসারে উলাল মিয়ার বাড়ীর নামকরণ করা হয়। তিনি আরশাদ মিয়ার ভাই ছিলেন। ইংরেজ শাসনামলের সময় ইংরেজরা তাকে মিয়া উপাধিটি দেন।
এই জন্য আমাদের বংশকে উলাল মিয়ার বংশ বলা হয়। এই বাড়ীতে আমার পিতা হাজী ছাকায়েত উল্যাহর ৫ ভাই- ১ বোন ছিলেন। তন্মধ্যে আমার পিতা হাজী ছাফায়েত উল্যাহ ও ৩য় জন মাওলানা করিম উল্যাহ ৪নং হাফেজ মমিন উল্যাহ ভারতে প্রসিদ্ধ অলি ও কামেল আজান গাছির মুরিদ ছিলেন। আমার পিতা সে সময় বিদেশী জাহাজে চাকুরী করতেন। মাওলানা করিম উল্যা ভারতের হাওয়া জিলা স্কুলে চাকুরী করতেন। আমার ছোট চাচা হাফেজ মমিন উল্যাহ ভারতে হেফজখানায় বড় হাফেজ ছিলেন।
পারিবারিক পটভূমি
আমার বাবা ১৯৪৯ সনে পবিত্র হজ্জ পালনে মক্কা ও মদিনা যান। বাবা হজ্জের পর ১৯৫১ সালে আমার জন্ম হয়। ১৫৫৯ সনে স্থানীয় দুধমুখা প্রাইমারি স্কুলে আমি ভর্তি হই। সেখান থেকে তখন দুধমুখা জুনিয়র হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণী পাশ করার পর বসুরহাট এ.এইচ.সি মডেল হাইস্কুলে ৯ম শ্রেণীতে ভর্তি হই ১৯৬৯ সত্তর সনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়। এই উপলক্ষে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফড়ি। তৎকালীন চৌমুহনী মদন মোহন কলেজের ছাত্র সংসদের জি.এস রাজ্জাক ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় ও সহযোগিতায় আমরা পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ করি এর ভিতর পারিবারিক সমস্যায় ঢাকা গিয়ে উঠি।
সংগ্রামের হাতে খড়ি
তখন ভরপুর আন্দোলন সংগ্রাম ছাত্র শ্রমিক জনতা সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মুক্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারাদেশ উত্তাল, রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে জোর আন্দোলনে ঢাকা উত্তপ্ত। ১৯৬৯ সনের ২০ শে জানুয়ারী ঢাকা পৌছাই রাত্র ১০.৩০। আমার জানা ছিল ২১ শে জানুয়ারী ঢাকার পল্টন ময়দানে সর্বদলীয় সভা এইদিন থেকে সারাদেশে বাঙ্গালীর দাবী-দাওয়া আদায়ের জন্য আমিও ঢাকায় শ্যামপুর ইস্রাফিলের বাড়িতে শ্রমিক কলোনীতে গিয়ে উঠি। আমার বড় ভাইয়েরা দুইজন থাকতো সেই শ্রমিক কলোনীতে। তাদের সাথে পল্টন ময়দানের জনসভায় গিয়ে আন্দোলনের স্বরূপ বুঝতে পারি। ৪/৫ দিন শ্যামপুর থাকার পর আমার দুলাভাই ও চাচা হাতিরপুল বসবাস করতেন। আমিও সেখানে গিয়ে উঠি। ওখানে যাওয়ার পর আমার রাজনীতির ক্ষুরধার আরও বেড়ে যায়।
উত্তাল সেই দিনগুলি
সেখানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্ররা আড্ডা দিতো। হাতিরপুল বাজার ও এলিফ্যান্ট রোড বাটার সিগন্যালে ছাত্রদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ছাত্র রাজনীতি সম্বন্ধে বিশাল ধারণা অর্জন হয়। ছাত্রদের ১১ দফা ও জনতার ৬ দফার আন্দোলন। প্রতিদিন আন্দোলন সংগ্রামে বিভিন্ন শ্লোগান, জাগো বাঙ্গালী জাগো, তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। রাজবন্দিদের মুক্তি চাই। পিন্ডি না ঢাকা- ঢাকা, জেলের তালা ভাঙ্গবো শেখ মুজিবরকে আনবো, এর ভিতর আসাদ, মতিউর ও মনুমিয়া হত্যা করা হইল। পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানি গ্যাস, ১৪৪ ধারা জারি (কারফিও)। বাধা যত দিছে সংগ্রাম আরও বেগবান হচ্ছে।
হঠাৎ একদিন সকল বেলায় দেখলাম হাতিরপুল বাজারে কিছু লোক বলাবলি করছে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভিতর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৭নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে রাত্রে অন্ধকারে গুলি করে হত্যা করে। সারা শহরে চাঁপা ক্ষোভ ও গুঞ্জন। দুপুরের পর থেকে আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করছে। মিছিলে মিছিলে পুরো ঢাকা শহর তিল ফেলার জায়গা নাই, মিছিলে গুলি করছে পুলিশ, সন্ধ্যার পর থেকেই কারফিও। রাস্তায় কেউ বাহির হতে পারবেনা দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ। শহরে সরকারি মন্ত্রী মুসলিম লীগ, জামাত নেতাদের বাড়িতে আগুন। সকাল ৭টা থেকে ২ ঘন্টা কারফিও শিথিল বাজার-সদাই করার জন্য।
এইভাবে কারফিওর ভিতরে ছাত্র-জনতার মিছিল এবং এর মধ্যেই পুলিশের গুলি হচ্ছে। ৭/৮ দিন পর সকাল বেলা শুনলাম আইউব খান ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি দিয়ে করাচি চলে গেছে। তারপর দিন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ঐ দিন সকাল ১০টা থেকে রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লক্ষাধিক লোক জমায়েত হয়।
আমি জনসভায় উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুকে স্বচোখে দেখার পর আমার রাজনীতির ভীত আরও শক্ত হয়ে যায়। ২/৩ দিন পর দুলাভাই আমাকে ট্রেনে উঠাইয়া দিলে আমি গ্রামের বাড়ী ফেনীতে যাওয়ার জন্য। আমি দেশে গিয়ে নিয়মিত বসুরহাট দুধমুখা দাগনভূঁইয়া গিয়ে ছাত্র রাজনীতির বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করি। তারপর ১৯৭০ সনে ইয়াহিয়া খান পুরা পাকিস্তানে গণভোট দিলেন। আমরা সবাই গণভোটের মিছিল-মিটিং-পোস্টারিং এ সরাসরি জড়িয়ে পড়ি।
স্বাধীনতার সংগ্রাম
১৯৭০ সনে আওয়ামী লীগ শতকরা ৯৮% ভোটে বিজয়ী হয়। ৭০ সনে জিতার পরও ইয়াহিয়া খান তালবাহনা শুরু করে ক্ষমতা না দেওয়ার জন্য। জাতীয় পরিষদের সভা আহ্বান করা হইল ৩রা মার্চ। কিন্তু ১লা মার্চে ইয়াহিয়া খান অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সংসদ স্থগিত ঘোষণা করলো। শুরু হলো আন্দোলন। ইয়াহিয়ার ঘোষণা মানিনা, এক দফা এক দাবী বাঙ্গালীর স্বাধীনতা। ২রা মার্চ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন তৎক্ষালীন ঢাকসুর ভিপি আসম আবদুর রব। ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ইশ্তেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ এবং ৭ই মার্চের রেসকোর্স ময়দানে জনসভার ঘোষণা দেন। ৭ই মার্চ এর জনসভায় প্রায় ১০ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলে বলেন- এইবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এইবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল, যার যাহা কিছু আছে তা নিয়ে প্রস্তুত থেকো। আর যদি একটা গুলি চলে আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তাহলে তোমরা যা কিছু আছে তা নিয়েই শক্রুর মোকাবেলা করবে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপাইয়া পড়বে। আমরা দেশকে মুক্ত করেই ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
৭ই মার্চের পর কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের নির্দেশমত প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায় ছাত্র-জনতাকে (অব:) আর্মির বিডিআর-এর অফিসার ও জোয়ানদের দ্বারা যুবদের ট্রেনিং চালু করা হয়। আমি দুধমুখাতে ১০/১২ জনসহ ট্রেনিং এ অংশগ্রহণ করি।
২৬ শে মার্চ সারাদেশে নিরস্ত্র জনতার উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী রাতের অন্ধকারে মেশিনগান, কামান, রাইফেল এর গুলি করে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, রোকেয়া হল, জহুরুল হক, সূর্যসেন হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ইপিয়ারের হেডকোয়াটার, নিউ মার্কেটসহ সারা শহরের নিরস্ত্র মানুষের উপর হামলা/যুদ্ধ শুরু করে দেয়। বাংলার ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক জনতা, রাজারবাগের পুলিশ লাইনের পুলিশ, বিডিয়ার, আর্মি যেভাবে সম্ভব পাঞ্জাবীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। আমাদের ফেনী ২৪ শে এপ্রিলের পর হানাদার বাহিনীর দখলে চলে যায়। ২৪ শে এপ্রিলের পর আমরা যে যার মত সম্ভব দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিই এবং মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং এ অংশগ্রহণ করি।
আমি তখন পর্যন্ত ২ বার ভারতে যাই। প্রথমবার একলা গিয়ে ৫/৬ দিন পর আবার দেশে ফিরে আসি। তখন আমাকে ভারত থেকে বলা হলো ১০/১২ জনকে নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার চিঠি নিয়ে আসার জন্য। ২য় দফায় আমি ১০ জনকে নিয়ে পায়ে হেঁটে ভারতে শ্রীনগর ট্রেনিং ক্যাম্পে পৌঁছাই। তাদের মধ্যে আইউব ভাই, খালেক, কাশেম আলী, সিরাজ বাসার ছিল।
সেখানে ১৫ দিনের ট্রেনিং দিয়ে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ২টা রাইফেল, একটি এসএমজি, জনপ্রতি ২টা ৩৬ হ্যান্ড গ্রেনেড নিয়ে দেশে ঢুকি। এর ভিতর ২/৩ মাস পর আমাদের সঙ্গে ফেনীর বিএলএফ এর থানা কমান্ডার কাজী নুরুন নবীর সঙ্গে ফেনীস্থ কৌরস মুন্সিবাজারে এক জরুরী মিটিং হয় এবং মিটিং এ সিদ্ধান্ত হয় আমরা ৮ জন এবং উনাদের ১০ জন মিলে আমাদের সম্মিলিত ১৮ জনের একটা বড় গ্রুপ হয়। ফেনী সোনাগাজীতে বহু বড় বড় অপারেশনে সফল হই। ১৯৭১ সনের ৬ই ডিসেম্বর আমরা আমাদের এলাকায় ছিলাম। সারাদেশ ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন হয়, আর আমরা ফেনী ১০ দিন পূর্বে স্বাধীন করি।
ফেনী মুক্ত দিবসের পদযাত্রা।
এই চেতনায় আমরা আমাদের ইয়াকুবপুর এর তরুণ সংঘের উদ্যোগে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পায়ে হেটে বিজয় অর্জন করে জাহাঙ্গীর কবির শোবন।
আমার নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে তরুণ সমাজের ভিতর উজ্জীবিত করার জন্য প্রত্যেক বৎসর ৬ ডিসেম্বর ফেনী জেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে
১। চট্টগ্রামের বারইয়ার হাট থেকে ফেনী হয়ে সেনবাগের সেবারহাট বাজার,
২। কুমিল্লার দত্তসার দিঘি হইতে কোম্পানীগঞ্জ বসুরহাটের বর্ডার,
৩। বিলুনিয়া বর্ডার থেকে দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট,
৪। সোনাগাজী জিরো পয়েন্ট হতে সেনবাগের বর্ডার মৃধার হাট তোরণ সংঘের অফিস,
৫। ছাগলনাইয়া বর্ডার থেকে দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। পদযাত্রা আমরা যেখান থেকে শুরু করতাম সেখানেই ৫ ডিসেম্বর ঐখানেই রাত্রি যাপন করতাম এবং রাত্রে মুক্তিযুদ্ধের গল্প তরুণ প্রজন্মকে শোনাইতাম। কিভাবে মুক্তিযোদ্ধারা বিনা বালিশে বিছানা ছাড়া রাত্রি যাপন করতো এবং আমার কিভাবে পায়ে হেটে ভারতে যাওয়া ও অস্ত্র নিয়ে ভারত থেকে পায়ে হেটে আসার একটা সম্পূর্ণ মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে আসার সেই বিষয়গুলো আমরা তরুণদেরকে বুঝাইতাম।
স্বাধীনতা পরবর্তী
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২ ভাগে বিবক্ত হয়ে যায়। একভাগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) হয়। আমি ৭২-৭৩ সনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) ফেনী থানার প্রচার সম্পাদক ছিলাম। পরে ১৯৭৭ সনে জাসদ ছাত্রলীগের ফেনী জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম।
১৯৭৪ সালের ১৯ শে মার্চ একবার গ্রেফতার হয়ে ডিটেনশনে একমাস জেলে ছিলাম এবং ১৯৭৫ সালের ১৩ ই সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত্রে ১০.৩০ মিনিটের সময় আমার এক আত্মীয়ের বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে অস্ত্র আইনে ২টা মামলা ও ডিটেনশনসহ আমাকে জেলে পাঠানো হয়। ১৯৭৮ সালে আমি রাজনীতিও করিনা। বাড়ী থেকে আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। আমি বিনা বিচারে ৫ মাস হাজত খাটার পর জামিনে মুক্তি পাই। সবমিলিয়ে ৩ বৎসর ৭ মাস কারাজীবন ভোগ করি। এটাই আমার সংগ্রামী রাজনীতির জীবন।
লেখা: মো. রুহুল আমিন
Was this article helpful?
YesNo
Last modified: নভেম্বর ২৮, ২০২৫